হাদি হত্যাকাণ্ডে বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বের ভূমিকা খতিয়ে দেখার দাবি, মির্জা আব্বাসের নাম আলোচনায়

ক্রাইম; দর্পন; ক্রাইম দর্পন; crime; crimedorpon; crimedarpan; dorpon; darpan; The Weekly Crime Dorpon; the weekly crime darpan; crimedorpon.com;

আব্দুল্লা মোঃ তাহের: ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডকে কেন্দ্র করে নতুন করে রাজনৈতিক অঙ্গনে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। এ হত্যাকাণ্ডে বিএনপির শীর্ষ পর্যায়ের নেতাদের সম্পৃক্ততা থাকতে পারে—এমন অভিযোগ ও সন্দেহ প্রকাশ করেছেন বিভিন্ন রাজনৈতিক ও নাগরিক মহল। আলোচনায় উঠে এসেছে বিএনপির প্রভাবশালী নেতা মির্জা আব্বাসের নামও।

স্থানীয় সূত্র ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, শরিফ ওসমান হাদি ছিলেন জুলাই বিপ্লব ও পরবর্তী সময়ে ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের একজন সাহসী ও আপসহীন কণ্ঠ। তার এই সক্রিয় ভূমিকার কারণেই তিনি একটি সুপরিকল্পিত রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছেন বলে অনেকের ধারণা।

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপি নিজেই হাদির মৃত্যুকে একটি ‘সুপরিকল্পিত রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড’ হিসেবে উল্লেখ করায় হত্যার পেছনের নীলনকশা নিয়ে প্রশ্ন আরও জোরালো হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, এমন ঘটনায় কেবল মাঠপর্যায়ের দুর্বৃত্ত নয়, বরং নেপথ্যের মদদদাতাদের ভূমিকাও খতিয়ে দেখা জরুরি।

একাধিক রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক দাবি করেন,

“এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে কারা লাভবান হতে পারে এবং কারা রাজনৈতিকভাবে হাদির কণ্ঠ স্তব্ধ করতে আগ্রহী ছিল—সেটি তদন্তে বেরিয়ে আসা দরকার। প্রয়োজনে বিএনপির শীর্ষ নেতাদের, এমনকি মির্জা আব্বাসের মতো প্রভাবশালী নেতাদের ভূমিকা নিয়েও নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া উচিত।”

এদিকে নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা বলছেন, হাদি হত্যাকে ঘিরে দেশব্যাপী সহিংসতা, অগ্নিসংযোগ ও নাশকতার ঘটনাগুলো একটি বৃহত্তর রাজনৈতিক পরিকল্পনার ইঙ্গিত দিচ্ছে। এসব ঘটনার মাধ্যমে গণতান্ত্রিক আন্দোলন দমন এবং আসন্ন নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

হাদি হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত, প্রকৃত পরিকল্পনাকারী ও মদদদাতাদের শনাক্ত এবং রাজনৈতিক পরিচয় নির্বিশেষে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন বিভিন্ন মহল। তারা বলছেন, নিরপেক্ষ তদন্ত ছাড়া এই হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত সত্য উদঘাটন সম্ভব নয়।