বিএনপির মবের বর্বরতা: এক বছরে আওয়ামী কর্মীদের রক্তে ভাসলো বাংলাদেশ

ক্রাইম; দর্পন; ক্রাইম দর্পন; crime; crimedorpon; crimedarpan; dorpon; darpan; The Weekly Crime Dorpon; the weekly crime darpan; crimedorpon.com;

অহি আহমেদ: বাংলাদেশে গত এক বছরে বিএনপি-সমর্থিত সন্ত্রাসী মোব হামলায় দেশের রাজপথ রক্তে ভেসেছে। শেখ হাসিনার পদত্যাগের পর থেকেই প্রকাশ্য রাস্তায় আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের হত্যা যেন নিত্যদিনের ঘটনায় পরিণত হয়েছে।

আগস্ট ২০২৪: সন্ত্রাসের সূচনা, ২০২৪ সালের ৪–৬ আগস্ট। মাত্র তিন দিনে বিএনপি ও তাদের সহযোগীদের মব হামলায় অন্তত ২৭ জন আওয়ামী লীগ নেতা ও কর্মী নৃশংসভাবে খুন হন। এ সময় কেবল আওয়ামী লীগ নয়, সাধারণ মানুষ, পুলিশ, সংখ্যালঘুরাও টার্গেটে পড়েছিল। কিন্তু সবচেয়ে বেশি প্রাণ গেছে আওয়ামী কর্মীদের।
সেপ্টেম্বর ২০২৪: রক্তের উৎসব

শেখ হাসিনার পতনের পরপরই মব সহিংসতা যেন এক ভয়ংকর দৈত্যে রূপ নেয়। শুধু সেপ্টেম্বরে অন্তত ২৮ জন মানুষকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। এদের মধ্যে আওয়ামী লীগ সমর্থকরাই প্রধান শিকার। মানুষের সামনে প্রকাশ্যে হত্যা—এটাই বিএনপির গণতন্ত্রের নমুনা!

জুলাই ২০২৫: আবারও ভয়ংকর মাস
মানবাধিকার সংগঠনের তথ্যমতে, জুলাই মাসে এক মাসেই ৫১টি মোব হামলায় ১৬ জন নিহত ও ৫৩ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে অন্তত ৭ জন আওয়ামী লীগ সমর্থক। স্পষ্টতই বিএনপি এই সহিংসতাকে রাজনীতির হাতিয়ার বানিয়েছে।

এক বছরের চিত্র: লাশের মিছিল
এক বছরে ৬৩৭টি লিঞ্চিং
নিহত অন্তত ১৮০–১৯৯ জন
নিহতদের বড় অংশ আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মী, সংখ্যালঘু ও নিরীহ সাধারণ মানুষ
(সূত্র: Prothom Alo, Daily Star, Reuters, Economic Times, MSF)
বিএনপি মানেই লাশের রাজনীতি

বিশ্লেষকরা বলছেন, বিএনপি যখন ক্ষমতার বাইরে থাকে তখন তারা রাজপথকে রক্তে ভাসায়। আওয়ামী লীগ কর্মী-সমর্থকদের হত্যা করে, সংখ্যালঘুদের বাড়িঘরে আগুন দেয়, এবং তারপর নিজেদের “গণতন্ত্রের রক্ষক” সাজায়। আসলে বিএনপির রাজনীতি মানে হলো আগুন, লাশ আর সন্ত্রাস

Leave a Reply