অহি আহমেদ: পুলিশ, র্যাব, ডিবি ও কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) গুমের ৬৫ শতাংশ ঘটনায় জড়িত। একটি গুমের ঘটনায় একাধিক সংস্থার জড়িত থাকার নজির রয়েছে। গুম কমিশন প্রতিবেদনে বলে, র্যাব-২ কার্যালয়ে জিজ্ঞাসাবাদ টাস্কফোর্স (টিএফআই) সেলে হাজারের বেশি মানুষকে সপ্তাহ, মাসের পর মাস আটকে রাখা হতো। বন্দিদের চোখ ও হাত বাঁধা থাকত। পুলিশ কর্মকর্তারাও অভিযানে অংশ নিতেন। বন্দিদের সারাদেশ থেকে আনা হতো। অনেক ক্ষেত্রে বন্দিদের হত্যা করে লাশ নদীতে ফেলা হয়।
পুলিশের ইউনিটগুলোর মধ্যে ডিবি গুমে জড়িত ছিল বলে কমিশন প্রতিবেদনে উল্লেখ করে। বিরোধী দলের নেতাকর্মী, অ্যাক্টিভিস্ট, সন্দেহভাজন অপরাধীদের অজ্ঞাত স্থানে আটকে রাখত
